প্রথম প্রথম মত পাত্র পক্ষ আমাকে দেখতে আমি খুবই নাভাস আসলে বান্ধবীদের জন্য এত কিছু উল্লেখ করছি যে এখন নার্ভাস না হওয়া। ভাবী আমাকে সাহস দিয়ে বলেছে খুব ভালোভাবে কথা বলতে এখানে ভয় পাবার কিছু নেই।
পাত্রপক্ষের উত্তর দিয়ে হেঁটে ঘরের মনে মনে বসল মা হাতের ইশারায় আমাকে প্রায় ৬/৭ জন এসেছিলেন। পাত্র মা চাচি বোন সহ আরো বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
আমি ইরা গত বছর ঢাকা ইউনিভার্সিটির থেকে ইংলিশ ছাত্রদের কমপ্লিট করেছি, এখন একটা প্রাইভেট ফার্মে কর্মরত আমার কোন বোন নেই, মা, বড় ভাই আর ভাবীকে নিয়ে আমাদের ছোট ছোট।
সোফায় বসার সালাম বাবা, ছেলের নাম রাতুল একটা প্রাইভেট নামতে আছে।
আমি সাধারণভাবে কামিজ পরা শুনতে শুনতে শুনতে শুনতে পাই, আমি চাই ওরা আমাকে নাচার সালো ব্রাক দেখুক।
-মেয়ে তোকে অনেক শুকনা তা তোমার বাবার বাড়ি থেকে টেতে দেয় না? হাসতে হাসতে ছেলের মা আমি খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে মিশে তাকালাম।
দেওয়া স্থায়ী আমার ভাবী একজন ডক্টর, শি দল সম্ভ্রান্ত ফ্যামিলির মেয়ে। নিজেও তখন হাসতে বললেন,
- আপনার বাড়িতে ছেলেমেয়েকে ভালো করে দেখাতে হবে না, কিন্তু আপনার কাছে যেতে পারে যে চুল পড়ে যাচ্ছে সেই টাকের চিকিৎসার প্রয়োজন হলে আমাকে বলবেন আমার কিছু বন্ধুবান্ধব কলিগ তাদের সাহায্যে নেবে।
ভাবীর হাস্যজ্জল কথাগুলো খুব সম্ভবত ছেলের ছেলের ছেলের বুকে গিয়ে বিধায়ক এবং খানিকটা অপমানিত আবারও তিনি সামালের উপরে।
- এই মেয়ে , কি বাবার নাম তোমার ও হ্যাঁ ইরা আচ্ছা ইরা যাও সেখানে গিয়ে অনেক হেঁটে দেখাও। আমি আবার খান অপ্রস্তুত অপ্রস্তুত আমি তো ওদের আমাকে দিয়েই হেঁটে আসলাম। ভাবীর তাকালম , ভাবী ইশারা করে যেতে বললেন, আমি সামনে পর্যন্ত হেঁটে আবার ফিরে আসলাম।ভাইয়া বললেন,
- ওখানেই দাঁড়া ইরা, এই ছেলে কি ছেলের নাম তোমার ওও রাতুল তা ভাই রাত্রি তুমি যাও সেখানে গিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়াও। ছেলের চাচির প্রায় হতেই উঠলেন,
- আবার এটা কি ধরনের অসভ্যতা?
-আরে কি আশ্চর্য্য আমরা দেখবো না ছেলে মেয়ে চেয়ে খাটো না লম্বা, হাঁটতে পারে কি না?
-কেন ছেলে যখন এসেছিলেন তখন ভালোনি
-তা আমার বোন নিজেও তো হেঁটে আসলো মুসলিম ইসলামের উত্তরই মুসলিমনি! আলোচনা পারলামে বেশ জব্দ করা হয়েছে আমার চারণ দাঁড় করানো ছাড়া কোন উপায় নেই।
ভাইয়া কিছুক্ষণ কথা বলতে,
- বায়োডাটাতে বোল্ডার লিখেছেন ছেলের উচ্চতা ৫ ফুট আট ফুট হচ্ছে মনে মনে ৫ ৬ এর বেশি হবে না ,যাই রাতুল তুমি বসো।
আমি গেছি আমি এখানে একজন সত্যি কথা বলতে পারলাম, আপনি এটা বলছেন যে ফ্যামিলি এখনও আমার সাথে কথা বলে না আবার বসলাম।
ছেলের বোন বলে,
- কি তোমার আসবাব রংয়ের মেকআপ করে পার্লারে এটা বিশ্বাস করে?
আমি মাথা না দেখা
-তা রাতুল তুমি কি চুলে কলে টলপ মাখো? চুল কি পেকে গেছে? প্রকৃতপক্ষে তোমার চুলটা অনেক বেশি কালো ছিল, ভাবীর প্রশ্নের উত্তরে।
-ইরা তুমি রান্নাবান্না জানো তো? ।
-আপনি আপনাকে বললেন অনেক টাকা পয়সা আছে, আমার বোনকে টাকা রোজগার করতে হবে না তাহলে ভালো বিদেশী কোন শেকফ কেন রাখছেন? ঘরের বউকে কেন রান্না করতে হবে? সে তো বড়লোক ঘর বউ তাই না! সে খাতার উপর পায়ের পাতার উপর পাল্টা হিন্দি বারল দেখবে আর কুটনামি শিখবে, অসুবিধা প্রশ্ন? পাশ থেকে ভাইয়া বললেন।
- আপনি কি আমাদেরকে এখানে অপমান করার জন্য ডেকেছেন? ছেলের মা ঝাঁঝালো কনঠে বলে উঠলো
আমার মা মুখ খুলুন,
- কেন আপা আমার মেয়েকে দেখতে এসেছেন যদি বাজারের পণ্যের মত বিচার করি আমরাও মেয়ে দিচ্ছ আমারও কিছু দায়ভার আছে তাই না? মেয়ে শিক্ষকদের জীবনের জন্য কার হাতে লেখা তাকে বলো তোকে-বাছাই করা তো আমাদের দায়িত্ব এবং শ্রদ্ধার মধ্যে পড়ে যদি না পড়ি তাহলে মা হিসেবে আমি আমার বাল্বকে। ব্লু বাছাই করে ভালো একটা বউ নিয়ে যাবে কিন্তু আমরা ভালো-বাছাই করি যদি একটা মেয়ে জামাই না পাই তাহলে একতরফা হয়ে গেল না? এখন আর দীর্ঘ যুগটা পড়ে নেই ১৯৫৪ সালে। যে মেয়ের চুল দেখবে, রং দেখবে, হাত-পা খুঁটে দেখবে কিন্তু মেয়ে দল টুটি শব্দ করবে না। দুনিয়া বিপরীত হয়ে গেছে আপা , আপনি যে তার তিনগুণ বিচারের কারণ হবেন আপনি আপনার পছন্দ করবেন না, তবে আপনি ফেরত দেবেন কিন্তু আমি আমার বুকের কলিজাকে, যাকে আমি জন্ম দিয়েছি, ছোটবেলা থেকে মানুষ আমি তাকে লিখতে দিয়েছি। ফল-বাছাইটা আমি বেশি দর্শক না। আপনি দয়া করে আসতে পারেন।
-কি হয়েছে ইরা মন খারাপ?
-না ভাবী
-মার মনে আছে যখন তোমরা দেখতে পাবে তখন আমাকে কি হবে? আমি সাধারণ পোশাকে আমাকে আমার খুব কাছে এসেছিলাম। মা খুব সুন্দর সালামের উত্তর দিয়েছিলেন আজকে এখানে কেউ আমার সালামের উত্তর দেয়নি যেখানে আমার বিষয়টা খুব খারাপ, একইভাবে আর আপনার পরিবারকে এমন প্রশ্ন করতে পারে যাতে আমার খারাপ হতে পারে আমার পড়াশুনা বিষয়ক কথাবার্তা জানতে চেয়েছিলাম, আমার মা বলেছিল। পরেও আমি শক্তিশালী আর চাকরি-বাকরি শুল্ক তখন তোমার বাবা আমারশ্বর জীবিত তুমি আর কথা দিয়েছিলে আমাকে শেষ করবে। সর্বউনার কথা অক্ষরে পালন করেছেন, আজ আমি একজন ডাক্তার। একটি চাকরি করছি আর যতটা সম্ভব করতে চেষ্টা করছি এটা নিয়ে কিন্তু মা কোন সমস্যাটি নিচ্ছে না। আমার জন্য আমি একটি পরিবারের সদস্যদের ঠিক দেবার জন্য একটি পরিবারকে একইসঙ্গে রঞ্জিত করার জন্য আপনাকে আমার মত বর্ণনা করতে পারবো, ভালোবাসতে পারো অভিযোগ কোন পরিবারকে না যে মেয়ের সমর্থক বিচার, হাঁটার স্টাইল, রান্নাবান্না দিয়ে বিচার করা। কারণ আমরা আমাদের সাধ্য মতবাদ করি, এখন তুমি চাকরি কর। তুমি তোমার কাছে তোমার ঢোকার পর চাকরির কর্পোরেশনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে তোমার ব্যক্তিগত অভিমত সেই ক্ষেত্রে তোমার শুউর অন্য কোনো ইন্টারফেয়ার করতে পারে না। প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তি স্বাধীন আছে সব সময় মনে রাখবেন আত্মসম্মানবোধ হচ্ছে জীবনের মূলমন্ত্র।
-এই তুমি যাবে আমার সাথে? ভাবী ভাইয়ার দিকে ফিরে কথাটা বললেন।
-রাত আটটা বাজে এখন আবার তোমরা জানতে পারবে মা?
-মা আপনাকে ভাই বলে না আমার চাচাতো ফাহিম ভিডিও আমাদের সাথে দেখা করছি।
-ও মনে মনে সুন্দর যে ছেলেটা দেখতে বেশ ভালোই ডক্টর পাশ করে কি ডিগ্রির জন্য ছিল
-ঠিক ধরেছেন মা, আমাদের সাথে দেখা করে আসবার ফোন করে চাচি সহ ডেকে নেব? রাতের খাবারটা না হয় এখানে খেলো, এমনিতেও আমরা তো চেষ্টা করেই।
আমার পথের কিছু আলোচনা আমার দিকে আমার দিকে
- সেই ভালো এত রাতে গিয়ে কাজ নেই ডেকে নাও। ভাবী আমার দিকে মুখি হাসলেন।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন