![]() |
| "অপূর্নতা" |
"কিছু গল্পকে পূর্নতা না দেয়াই ভালো,তাই
না?তুই কি বলিস?"রাতুলের প্রশ্নে তূর্য এর
ধ্যান ভাঙ্গে।
"কিরে?হঠাত চুপ মেরে গেলি একদম?
কোনো সমস্যা?"রাতুল আবার জিজ্ঞেস
করে।"নাহ,কিছু না।এমনি কিছু
কথা মনে আসতেছিলো তো।"
তূর্যের মনে কি চলছে তা রাতুল কোনোদিন
বুঝবে না,অবশ্য না বোঝারই কথা।কারন তূর্য
নিজেকে ওই ভাবেই
গুটিয়ে রাখে যেনো কেউ
ওকে না বুঝতে পারে।
দুই বন্ধুর দেখা হলো অনেক দিন পর।
চা খেতে খেতে তূর্য ভাবনার রাজ্যে ডুব
দেয়াতে রাতুল
কথা বলে শান্তি পাচ্ছিলো না।তাই
বারবার জিজ্ঞেস করা।
তূর্যঃগল্পটা দারুন লিখছিস দোস্ত।
আমি ভাবি নাই তুই আমাকে নিয়ে গল্প
লিখবি।
রাতুলঃতোরে তো আমি ৩১ তারিখ রাতেই
বললাম যে এবার তোর পালা আমার গল্পের
চরিত্র হওয়ার।
তূর্যঃনাহ,আমাদে র দুইজনকেই তুই খুব সুন্দর
ভাবে ফুটিয়ে তুলছিস।যাই হোক keep it
up.
রাতুলঃথ্যাংকস রে।
তূর্যঃএকটু কাজ আছে দোস্ত।আজ উঠলাম।
রাতুলঃআচ্ছা,ফোন দিস।
রাতুলের থেকে বিদায় নিয়ে তূর্য
হাটতে লাগলো।মাত্র মাগরিবের আজান
দিচ্ছে।কুয়াশা আর আলোর অপর্যাপ্ততায়
পুরো রাতের মতো মনে হচ্ছে।
এই সময় গুলোতে তূর্য একা থাকতেই পছন্দ
করে।আজ কিছুটা ভালোই লাগছে ওর।রাতুল
তূর্যকে নিয়ে গল্প লিখেছে,আর ওর
নায়িকা ছিলো তানিশা।গল্পটা শেষ
দিকটাতে রাতুল ওদের মিল দেয় নি।
এই বিষয় নিয়েই দুই বন্ধু কথা বলছিলো।
তূর্যের আজ অনেক কথা মনে পড়ে গেলো।
তানিশার কথা।ওদের ভালোবাসার কথা।
আজ বহুদিন যাবৎ তানিশার সাথে যোগাযোগ
নেই ওর।"কেনো থাকবে?" এমন প্রশ্ন গুলোর
উত্তর খুঁজে পায় না তূর্য।একপ্রকার
অপুর্নতার আড়ালে হারিয়ে গেছে ওদের
ভালোবাসা।তানিশা র স্বেচ্ছাচারিতার
জন্য আজ তূর্য ওর থেকে দূরে চলে এসেছে।
তাই হয়তো এই অপূর্নতা!
ওদের ভালোবাসা নামক সুখের গল্পটি অপূর্ন
রয়ে গেলো।
তূর্য এই অন্ধকার লগ্নে নিজে নিজেই
হাসে আর বলে,"রাতুল ঠিকই বলে,কিছু
গল্পের পূর্নতা না দেয়াই ভালো।"

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন