ব্যাপারটা আমারা কেউ ঠিক মেনে নিতেই পারছিলাম না মা কীভাবে এই বিয়ের জন্য রাজি হয়ে গেল। কারণ শাহেদের পরিবারের সাথে দেখা হওয়ার আগে সবচেয়ে রেগে ছিল মা। মাকে অনেক টা জোর করেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এই বলে যে, সে ঘরে আমার বিয়ে দেওয়া হবে না।কথা বলে ফেলা হয়েছে না গেলে ব্যাপার টা ভালো দেখাচ্ছে না তাই।
আমাদের বিশাল জয়েন ফ্যামিলি, দাদার খানদানী আমলের বিশাল এক বাড়ি আছে। যেটা দেখলে হিন্দি সিনেমায় দেখানো হাবিলির মতো লাগে।
ওটাতে অবশ্য আমরা থাকি না। তবে সবার আশা যাওয়া আছে। সুবিশাল একটা জায়গা ডেপলভমেন্টকে দিয়ে বিশাল ফ্ল্যাট বাড়ি করা হয় যে যার পছন্দ মতো চার টা চারটা ফ্ল্যাট নিয়ে থাকি। আলাদা খাওয়াটা হয় শুধু। বাকি সব কিছু একসাথেই চলে। বড় আব্বু আর দাদু এখনো ঘরের হেড।
এমন জমিদারী টাইপের ঘর হলেও আমাদের ঘরেই কেউ জমিদারী ছেলের মতো বসে খায় না। সবাই উচ্চ শিক্ষিত আর উচ্চপদস্থ। তাই হয়ত ঘরের সম্মান টা এখনো অক্ষত আছে। আব্বুরা চার ভাইয়ের মধ্যে দুই ভাই বুয়েট থেকে পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার আর দুইভাই ডাক্তার। চাচাদের বউরাও ডাক্তার, ওদের ছেলে মেয়েরা কেউ ডাক্তারি পড়ছে কেউ ইঞ্জিনিয়ার।
আমার আব্বু মেজ ভাই। আমার আম্মু কলেজের অধ্যাপিকা।
ধরা যায় আমাদের এলাকায় আমাদের মতো ঘর রাজ পরিবারেই। যেহেতু আম্মুরা সবাই সুন্দরী আমরা ছয় বোন ও তাই পরীর মতো সুন্দরী বলা যায়। আমাদের পরিবারের বিলাসিতা ময় জীবন আমাদের পুতুল বানিয়ে রেখেছে। আমার চার বোনেরেই বিয়ে হয়েছে এমন ঘরে যাদের ঢাকা ঘরে গাড়ি বাড়ি আছে। এমন পরিবারের সাথে যায় এমন উচ্চ পদস্থ চাকরি আছে।
এতকিছু থাকার পরেও সব বাঙালী পরিবারের মতো কোথায় যেন একটা সুর কাটা আছে। চাচী মায়েরদের মধ্যে সুর টেনে কথা বলা, একে অপরের খুত ধরা। কিন্তু সবার মধ্যে একটা জিনিস মিল আছে সেটা পরে বলছি৷
এইবার আসি শাহেদের কথায়। দাদু এখনো বেঁচে আছেন। উনি এখনো মাঝেমধ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। সেখানে পরিচয় শাহেদের বাবার সাথে। উনি বেশ সম্মানী ব্যাক্তি। উনি আমাকে দেখে বেশ পছন্দ করেছেন। না করার কিছু নেই। চার বোনের বিয়ের পর এখন আমার সিরিয়াল। আমি ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার কিছুই হতে পারি নি। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এইবার মাস্টার্স করে বের হয়েছি। বড় আপুর হাসবেন্ড বলেছেন, রেজাল্ট বের হওয়ার পর আমাকে উনাদের ব্যাংকে জব দেবেন।
আমার ছোট চাচার মেয়ে ছোট টা সামনে ইন্টার পরীক্ষা দেবে।
উনি দাদুকে খুব করে বললেন আমাকে তাদের বেশ পছন্দ হয়েছে। তার ছেলের জন্য আমাকে নিতে চান।
আসল কথা কেউ জানে না। আমি আর শাহেদ একই এলাকায় বড় হয়েছি। আমরা এক স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে আমাদের সর্ম্পক।
আমাদের ঘরে আমাদের সর্ম্পকের কথা জানাব সেই সাহস আমার নেই। কারণ আমি জানি আমাদের সর্ম্পক কেউ মানবে না।
সাদিয়া আপুও মারুফ ভাইয়াকে পছন্দ করত। সবাইকে জানানোর চেষ্টা করেছে। এতে ফল হলো তাড়াতাড়ি বিয়ে ঠিক করা হলো। তাতে করে আপু পালিয়ে গেল। এখন ঠিকিই মেনে নিয়েছে। আমাদের ঘরে মেয়েদের মর্জির চেয়ে তাদের সম্মানের দাম বেশি।
শাহেদ কে আমি এই পদ্ধতি জানিয়েছি। তবে শাহেদ বলল, আমার ঘরে তো মানবে। পালানো তো সমাধান না। আগে একবার ট্রাই করে দেখি৷ তারপর না হয় দেখা যাবে। কি হবে? তবে শাহেদের কথায় বুঝেছিলাম ও পালানো পক্ষে না। যদি না এইভাবে না হয় তাহলে হয়ত হবে না বিয়ে।
শাহেদ এই বুদ্ধি করল। সবার সামনে দাদুকে বলল, যাতে সম্মান রক্ষার জন্য দাদু সম্মতি দেয়।
শাহেদের বাবা বলেছিল যে,
সবাই তো আমাদের ঘর আর পরিবার সর্ম্পকে জানে। মেয়েও দেখেছে। তাই আমাদের পরিবার তাদের ঘরে যাবে, তাদের ঘর আর ছেলে দেখতে। কারণ মেয়েকে বিয়ের পর তো ওখানেই থাকতে হবে। আগামী শুক্রবার সবাই আমরা যেন যায়।
সবার সামনে দাদু হ্যাঁ বলে এলেন।
এই নিয়ে ঘরে বেশ তুলকালাম চলল।আলোচনা,বৈঠক।
দাদু সব সময় বেশ হিংসের মতো গর্জন করলেও এইবার কেন যেন চুপ হয়ে গেলেন।মিনি গলায় বলল, সবার সামনে বলল তাই না করতে পারি নি।
অনেক কথাবার্তার পর ঠিক হল। যাবে যে যেতে চায়। একটা না একটা কারণ বলে 'না' করে দেবে।
সবাই মাথা নেড়ে সায় দিলেও সবচেয়ে বেশি বেঁকে বসলো, আমার আম্মু। আম্মু কিছুতেই আমাকে এইভাবে বিয়ে দিবে না৷
আমি এমন ভাব দেখালাম যেন আমি বেশ বিরক্ত হয়েছি।
আজ শুক্রবার সবাই যাওয়ার কথা। আমি যাওয়া কোন প্রশ্নেই আসে না। কিন্তু শাহেদের আব্বু আবার ফোন দিল আমাকেও নিয়ে যেতে আমারো তো ঘর ও ছেলে পছন্দ হওয়ার ব্যাপার আছে।
আমি স্বাভাবিক লাগার জন্য, না করে দিয়েছিলাম, কিন্তু দাদু আমাকেও নিতে বলল তাই রেডি হতে হল। শুধু হলুদ রঙের একটা জামা পরে হাল্কা লিপস্টিক দিলাম। আমি যাওয়াতে আম্মুকেও যেতে হচ্ছে। আম্মু যাওয়াতে চাচী জ্যাটিরাও খুত ধরার জন্য বলল, আমরাও যাই তাহলে, শিমু তো আমাদের ও মেয়ে।
আম্মু আরো বেশিই বিরক্ত হল।
বেশি দূরে না, দুই ব্লক পরেই শাহেদদের ঘর। তাও সবাই চারটা গাড়ি করে গেল। ব্যাপার টা তাদের অস্বস্তি তে ফেলল কিনা জানি না। তবে তিন তলার উপর মধ্যবিত্ত ফ্ল্যাট টা দেখে আমার ভীষণ অস্বস্তি হচ্ছিল। আমার এক বান্ধবী আছে ওদের ঘরে মাঝেমধ্যে যেতাম। ওদের ঘর টা প্রায় এই রকম। আমি জানি ওরা কত টা সিম্পল জীবন কাটায়। আমি এইও জানি শাহেদ কত সিম্পল জীবন কাটায়। তাই ওকে এত ভালোবাসি।
আমাদের সবাইকে দেখে ওরা অস্বস্তি তে পড়ার জায়গায় এতটা উচ্ছাস দেখালো যা দেখে চাচীরা একটু মুখ বেঁকালো।ওদের ঘরে আমি আগে আসি নি।
ড্রয়িং ডাইনিং একসাথে করা মাঝারি সামনের রুম। দুই দিকে তিন টা ছোট রুম মাঝে বাথরুম আর বাথরুমে পাশে রান্না ঘর। এদের পুরো ঘর।
আমাদের পুরো ড্রয়িং রুমের অর্ধেক ও হবে না।
দুই সেট সোফা আর সিংগেল একটা খাট বসানো আছে ড্রয়িং রুমে। এক পাশে একটা বইয়ে ঠাসা বুক সেল্ফ।
হাতে আঁকা আর বানানো কয়েক টা সোপিস। দেওয়ালে একটা রবীন্দ্রনাথের ছবি ঠাঙ্গানো।
সবার বসতে বেশ অস্বস্তি হচ্ছিল শাহেদের বাবা বার বার লজ্জিত বোধ করছিলেন এইটার জন্য।
বাবা আর চাচারা মানা করছিল যাত্র উনি বিব্রত বোধ না করে। সবচেয়ে বেশি বিব্রত বোধ করছিলেন দাদু।
শাহেদ কে ডেকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল ওর বাবা। শাহেদ বরাবরেই বেশ সুদর্শন আর নম্র ভদ্র প্রকৃতির। সে গত বছরেই সে একটা ব্যাংকে চাকরিতে জয়েন করেছে৷ ওরা দুই ভাই এক বোন। শাহেদ সবার বড়। ওর ছোট ভাই ঢাবি তে পড়ে। আর বোন ঢাকা মেডিকেল এ এইবছর চান্স পেয়েছে।
কিছুক্ষন পর প্লেট ভরে ভরে নাস্তা আনছিল দুইজন। তাদের মধ্যে শাহেদ ও আছে। ওর মামী চাচিরাও আছে। উনারাও আপ্যায়ন করে যাচ্ছেন। নানা পদের পিঠা আর হাতের বানানো নাস্তা। সবাই কথা বললেও একদম চুপ ছিল আম্মু৷ আমার খুব একটা খারাপ লাগছিল না আবার অতিরিক্ত ভালোও না। কোথায় যেন একটা অস্বস্তি আমারো লাগছিল। আমার মনে হচ্ছিল শাহেদ দের আরো বেশি কিছু করা দরকার ছিল আমার পরিবার কে খুশি করার জন্য।
সব কিছু এনে রাখার পর যখন সবাই হাতে তুলে নিচ্ছিল নাস্তা। শাহেদের বাবাকেও বসে নিতে বলল, শাহেদের আব্বু খুব ভদ্র ভাবে অনুরোধ করল, একটু অপেক্ষা করুন। শাহেদের আম্মু সকাল থেকে এইসব বানাচ্ছে; ও আসুক।
সবাই যেন এখন বিব্রত বোধ করল। এমন কি দাদুও থমকে গেল। আম্মু আর চাচীরা কেমন যেন চুপসে গেল।
আমার তখন মনে হতে লাগল,শেষ হয়ে গেল। এখন কেউ আর রাজি হবে না। কি দরকার ছিল এইটা বলার?
আমাদের বাসায় এত বড় বড় মানুষ আসে। কই আব্বুরা তো কেউ আম্মুদের জন্য তাদের বসিয়ে রাখে নি৷ অনেক সময় আম্মু চাচীরা তো দেখেও না কে কি খেল? কে কি প্রশংসা করল। ওরা আসার আগেই নাস্তা শেষ।
আমি শাহেদের দিকে তাকালাম,দেখলাম ওরা কাছে বেশ স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। যেন এইটায় হওয়া উচিত।
উনি তাড়াহুড়ো করে উঠে গেলেন। আবার তাড়া দিয়ে এলেন। হাসি মুখ করে বসলেন। আমাকে আর শাহেদ কে ডায়িং টেবিল থেকে দুইটা চেয়ার এনে বসানো হয়েছে। সবাই মিষ্টির প্লেট হাতে বসে কেমন যেন বিশেষ কারো জন্য অপেক্ষায় রান্না ঘরের দিকে তাকিয়ে রইলেন।
শাহেদের আম্মুকে আমি কখনো দেখি নি।
আমি ভেবেছিলাম আমার আম্মুর মতো ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন কেউ হেঁটে আসবে। তবে বাটিকের কাজ করা শাড়ি পরে আচঁল টেনে বের হয়ে এলো খুব সাধারণ মধ্যবয়েসি শাহেদের আম্মু।
উনি এসে হাসি মুখ করে সবাইকে সালাম দিয়ে বসে সবাইকে খাওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন।
কিন্তু ততক্ষনে সবার গলা কি যেন বিধঁছে।
.
তবে সুস্বাদু নাস্তার কারণে কিছুক্ষনের মধ্যে আবার মেতে উঠলেও কিন্তু ছন্দপতন হয়ে গিয়েছে।
বড় আম্মু তার নাতনিকে নিয়ে এসেছে তার জন্য ছোট একটা বাটি আনতে বললে, শাহেদের মা শাহেদ কে ইশারা করাতে সে টুপ করে আমার পাশ থেকে উঠে গিয়ে রান্না ঘর থেকে বাটি নিয়ে এলো।
শাহেদের মা বলল, চামচ টাও তো লাগবে।
শাহেদের ভাই ওদের রাখা শোকেস থেকে বের করে রান্না ঘর থেকে ধুয়ে আনল।
ব্যাপার টা আমার কাছে কেন যেন খারাপ লাগল৷কিন্তু শাহেদর বোন ওখানেই বসে আছে।
সবাই মিলে কথা বলছে৷ ওদের সবাই কথা বলতে চাইছিল বাট তাল মেলাতে পারছিল না৷ কারণ এইখানে কেউ ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার নেই। কেউ স্কুলের টিচার কেউ সরকারি চাকরিজীবি। শাহেদের বাবাও তাই। শাহেদের মা স্কুলে গানের শিক্ষিকা। উনার কাছে প্রতি সাপ্তাহের বিশ ত্রিশ জন্য স্টুডেন্ট আসে গান শেখার জন্য শাহেদের বাবা বেশ গর্ব করেই জানালেন।
ঘন্টা খানিক পার হওয়ার পর কারোই আসলে বসার ইচ্ছে ছিল না। যেন বের হতে পারলেই বাঁচে। ''আমাদের পরে কথা হবে'' এই একটা দায়-সাড়া কথা বলে সবাই বের হয়ে এলো।
আমি বের হওয়ার সময় শাহেদ একটু মিষ্টি হাসল। আমিও ফিরতি একটু হাসি দিলাম এইছাড়া তেমন কোন কথা বলা হয় নি।
বাসায় ফিরে সবাই যখন নানা ধরনের ব্যঙ্গ কথায় মেতে উঠছিল আমাদের বিশাল ড্রয়িং রুমে।
দাদুকে বলল, আপনার কথা মতো দেখে এলাম। এখন পরে জানাব বলেছি। এইটুকুতেই চুপ থাকেন। এরমধ্যেই মেয়ের অন্য কোথায় ও বিয়ে ঠিক হয়েছে বলে দেবেন। শেষ।
তখন আম্মু বলে উঠল, না। এইসব বলার দরকার নেই। শিমুর বিয়ে ওখানেই হবে।
সবাই চেঁচিয়ে উঠল, কি বল? এমন ছাপোষা ঘরে মেয়ের বিয়ে? প্রশ্নেই উঠে না। তাছাড়া আমাদের সাথে কোন স্ট্যাটাস যায় না।
আমি নিজেও যেন অবাক হয়ে গেলাম। কারণ
আম্মু বলল, কেন না যাওয়ার কি আছে, ছেলে ব্যাংকে চাকরি করে। বাবা সরকারি চাকরি। মেয়ে মেডিকেলে পড়ছে। মা টিচার। সব তো আছে।
কিন্তু, তাও ওদের তো গাড়ি নেই, বাড়ি নেই। মেয়ের কোন শৌখিনতা থাকবে না। অন্য বোনেদের মতো স্বাচ্ছন্দ্য পাবে না।
বড় আম্মুও বলে উঠল, কি বল? বেয়াইন বাড়িতে মুখ থাকবে এমন ঘরে সর্ম্পক হলে। আব্বুর কথা রাখতে গেল। শেষ। এমন কত হয়। দুই রুমের একটা ঘর। শিমুর নিজের শোয়ার ঘর তো এরচেয়ে বড়। মেয়ের জীবন নষ্ট করিও না তো। নিজেই তো রাজি ছিলে না। কি হলো হঠাৎ রাজি হয়ে গেলে। কি আছে? কি দেখেছো সে ঘরে?
আম্মু তার চোখ গুলো সিক্ত আর চোয়াল টা শক্ত করে বলল,
-সম্মান দেখেছি। সে ঘরে, ঘরের বউ আর মেয়েদের প্রতি সম্মান দেখেছি। যেটা এই আমাদের অভিজাত্য ভরা ঘরে নেই।
সবার মুখ বন্ধ হলেও চোখে কেমন যেন প্রশ্নাতুত।
আম্মু বলল,
-বড় আপা, আপনি তো কত রকমের নাস্তা বানিয়েছেন বিগত সব ইদে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। কখনো দেখেছেন কেউ আপনাকে ডেকেছে?
আসমা তুমি তো ডাক্তার, তুমি দেশের বাইরে থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসছো। আপনি কখনো শুনছেন ভাইয়া আপনার কাজের প্রশংসা করছে সবার সামনে?
কখনো দেখছেন এই ঘরে শুধু মাত্র আমরা আসার জন্য ঘরের আসা মেহমান দেন বসিয়ে রাখা হয়েছে।
এই ঘরে আমরা ঠিক কতটুকু সম্মান পাই?
ঘরের মেয়েদের ভালোবাসা আর সম্মান করা এক নয়।
এই ঘরে আমাদের সবাইকে আমাদের যোগ্যতা দেখে এনেছে শুধু নাম বাড়াতে। কেউ কি কর্ম জীবনে স্বামীর সাহায্য পেয়েছেন?
কিন্তু সে ঘরে আছে। ঘরের নারীদের প্রতি সম্মান আছে, শ্রদ্ধা আছে, এপ্রিসিয়েশন আছে।
সুখে থাকার জন্য মেয়েদের এরচেয়ে বেশি আর কিছু লাগবে না। লাগেও না।
বড় আম্মু আর চাচীরাও এক সাথে বলে উঠলো। শিমুর বিয়ে ওঘরেই হবে।
.
#
.jpeg)
3 coment rios:
TrickBD Logo Login Signup
TP ছাড়াই কিভাবে টেলিগ্রাম Account এ LogIn করবেন
4 days ago 18 Comments
Fake Nagad অ্যাপ থেকে হাজার হাজার টাকা সেন্ড মানি করে মজা নিন
4 days ago 19 Comments
[For WordPress] গুগলে পোস্ট ইনডেক্স না সমস্যা সমাধান। বাড়বে এডসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা। পর্ব -২
4 days ago 15 Comments
Popular ৬টি টেলিগ্রাম bot যা আপনার অবশ্যই প্রয়োজন।
4 days ago 5 Comments
প্রিমিয়াম ব্লগারWp SafeLink ফাংশনালিটি সহ প্রিমিয়াম ব্লগার টেমপ্লেট সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
4 days
1 of 1,47012345»»»
Categories
Airtel free net (284)
Android Custom Rom (260)
Android phone review (576)
Android root (543)
Android Tips (4,381)
Android Xposed Framework (134)
Apps review (6,943)
Banglalink free net (385)
Binning (45)
Blogger (636)
Broadband Tricks (55)
C programming (91)
Corona Virus Update Bangladesh (37)
Cryptocurrency (44)
Education (114)
Education Guideline (1,599)
Electronics (95)
Facebook tricks (2,142)
Featured (17)
Freelancing (38)
Games Review (1,333)
Gp free net (1,146)
Guidelines (176)
Hacking news (253)
Hacking tutorials (1,011)
Hadith & Quran (881)
Hot (20)
Hsc Exam result (84)
Islamic Stories (941)
Java mobile (602)
Java programming (94)
JavaScript (48)
Jsc Exam result (50)
LifeStyle (1,888)
Linux (18)
Mobile Banking (68)
Mobile Review (72)
Movie Review (238)
Offers (126)
Online Earning (1,828)
Operating system (15)
Operator News (2,045)
Pdf books (309)
Php (165)
Promo Codes (11)
Python programming (79)
Robi free net (390)
Seo tricks (271)
Sponsored Posts (15)
Ssc Exam result (95)
Symbian Mobile (48)
Symphony Custom Rom (36)
Tech News (685)
Technology Updates (2,262)
Termux (37)
Themes Review (188)
Tools (774)
Trainer Competition (260)
Trickbd Notice (154)
Tricks (328)
Uncategorized (4,725)
Walton Custom Rom (16)
Wapka (761)
Web Development (467)
Website (192)
Windows mobile (40)
Windows PC (1,763)
Wordpress (889)
Youtube (530)
About Us
Team
Advertising and Guest Posting
Contact Us
Terms of Use
User Rights
Privacy Policy
FAQ
Copyright issues
Switch To Desktop Version
সার্চ করেছে
Short love story
লাভ স্টোরি বাংলা
লাভ স্টোরি ভিডিও
লাভ স্টোরি গান
স্কুল লাভ স্টোরি গান
Love Story song Original
লোকেরা এটাও সার্চ করেছে
Love story generator
Love story image
রোমান্টিক লাভ স্টোরি গল্প
Romantic love story
সুন্দর লাভ স্টোরি
রিয়েল লাভ স্টোরি
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন