( খন্ড ৪ )
রুবেল ঐদিন বন্ধুদের সহযোগিতায়কোনরকমে বাসায় এসে কাউকে কিছু না বলে
ঘুমিয়ে রইল ।
রুবেলের মা অবস্য ভাত খাওয়ার জন্য অনেক
ডেকেছে তার হুস ছিলনা ।
পরের দিন সন্ধার একটু আগে আমানদের
এলাকায় গেল আমানকে সাথে নিয়ে গেল
মুনমুনদের বাসায় রুবেলকে মুনমুনের মা মুখ
চেনা চিনত কখনো কখা বলেনি ।
আমান এলাকার ছেলে ওকে চিনে তাই
আমানকে জিজ্ঞেস করলো বাবা কি জন্য
এসেছ বল । আমান আমতা আমতা করে বলল
ইয়ে মানে আন্টি আপনার না একটা ছেলে
আছে গার্মেটসে চাকরি করে ।
আন্টি হে আছে আমার একটা মেয়েও আছে
মুনমুন ওর বিয়ে হয়ে গেছে ও স্বামী
বাহরাইন থাকে খুব ভালো ছেলে ১ বছর হয়
ওদের বিয়ে হয়েছে । রুবেল কথাগুলো শুনছে
না যেন ওর মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পরছে
। তা বাবা আমান বাহিরে দাড়িয়ে কেন
ভিতরে এসো চাঁ-নাস্তা খাবে এসো ।
আমান না আন্টি আজ না আরেকদিন আচ্ছা
আন্টি মুনমুনের স্বামী মানে দুলাভাই
কোথায় থাকে ।
আন্টি ওরা মিরপুর ৬ নম্বরে থাকে মুনমুন
আজকে গেছে ওর শাশুড়ির কাছে সে নাকি
অসুস্হ তাই । আমান ঠিক আছে আন্টি আর
একদিন কথা হবে ঐ দিন চাঁ-নাস্তা খেয়ে
যাব বলে দুইজন ওখান থেকে
চলে আসলো ।
রুবেলের চোঁখে মুখে রাজ্যের হতাসা আমার
ঐ এলাকার ওর সবচেয়ে কাছের বন্ধু কি
বলবে সে দুইজনেরই মন খারাপ ওরা
দোকানে গিয়ে সিগারেট ধরালো এবার
রুবেল আর সানমুন সিগারেট খেলনা
গোল্ডলিফ খেলো ।
রুবেল বলছে দোস্ত আমান মুনমুনের সাথে
আমার একটু কথা বলা দরকার কিন্তু কিভাবে
বলব তুই একটু ব্যাবস্তা করে দিবি? আমান
আচ্ছা ও এখানে আসলে আমি ওর কাছে তোর
কথা বলব তারপর তোকে জানাব । রুবেল
ওখান থেকে চলে আসলো কিন্তু কোন সংবাদ
নেই ।
একদিন রুবেল তাদের বাসার বিদুৎ বিল
জমা দিয়ে ফিরছে । হটাৎ তাকিয়ে দেখল
দূড়ে সাদা ড্রেস পরে একটা মেয়ে আসছে
হেটে হাতে একটা ব্যাগ । রুবেল আরে এতো
মুনমুন কাছাকাছি আসার পর রুবেলকে দেখে
আরে রুবেল ভাই কেমন আছেন । রুবেল হুম
ভাল আছি মুনমুন তোমার সাথে আমার জরুরী
কথা ছিল কত খুঁজেছি তোমাকে ।
মুনমুন অবাক হয়ে আপনার জরুরী কথা আর
আপনি আমাকে খুঁজেছেন কেন ?
মুনমুন আমিতো এখন শশুর বাড়ী যাচ্ছি আম্মা
অনেকদিন ধরে অসুস্হ তার জন্য কিছু রান্না
করা খাবার আর ফলমূল নিয়ে যাচ্ছি ।
যদি কিছু বলেন এখানেই বলেন আমিতো পরে
আর কবে সময় দিব আপনাকে । রুবেল আচ্ছা
একটা কথা জিজ্ঞেস করি তুমি যাকে বিয়ে
করেছ সেতো বাহরাইন থাকে তুমি কি তাকে
আগে থেকে চিনতে । মুনমুন অবাক বলে আমার
স্বামী বাহরাইন থাকে আপনি জানলেন
কিভাবে?
রুবেল আমি গিয়েছিলাম আমানকে নিয়ে
তোমাদের বাসায় । মুনমুন ও আচ্ছা মা আমান
ভাইয়ের কথা বলেছিল আরও বলেছিল সাথে
একটা ছেলে ছিল এখন বুঝলাম সেটা আপনি
ছিলেন ।
আচ্ছা কেন খুঁজেছিলেন?
রুবেল মনে মনে মুনমুন আমি তোমাকে কত
যায়গায় যে খুঁজেছি আর কেন খুঁজেছি সেটা
যদি তুমি বুঝতে । মুনমুন কি ব্যাপার রুবেল
ভাই কথা বলছেন না যে । রুবেল না এমনিই
।
এবার দুইজনে হাটছে আর কথা বলছে মুনমন
আচ্ছা তুমি যাকে বিয়ে করেছ তাকে কি
বিয়ের আগে ভালবাসতে ?
মুনমুন না আমার মা আর ভাই তাকে পছন্দ
করেছিল সেই পছন্দেই বিয়ে । রুবেল আচ্ছা
তুমি আমাকে দেখে হাসতে কেন জানতে
পারি ? আমিতো তখন ভাবতাম তুমি আমাকে
পছন্দ কর এইজন্যই হাসো ।
মুনমুন রুবেল ভাই আমি আপনাকে শুধু আমার
বন্ধু মনে করতাম এর বাহিরে কিছুই না তখন
এতকিছু বুঝতাম না ।
রুবেল কথাটা শুনে আরে তোমার সাথে একটু
মজা করলাম বন্ধু যখন একটু মজা কি করতে
পারিনা কি বল । মুনমুন হেসে দিল কথাটা
শুনে সেই হাসি যার জন্য রুবেল পাগল
হয়েছিল ।
কিছুদুর যাওয়ার পর রুবেল বলছে আচ্ছা চলি
যদি কপালে থাকে আবার দেখা হবে । রবেল
আসছে আর ভিতরে ভিতরে কাঁদছে পরক্ষনে
সিদ্ধান্ত নিল ওর এই হাসির সামনে সে
কখনো পরবে না......
এর পর রুবেলের জীবনে ঘটল ব্যাপক
পরিবর্তন সে অনেক বদলে গেল কি সেটা
জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে ।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন